বায়ার্নের গোল উৎসব, ইউনিয়ন বার্লিনের ভরাডুবি

জার্মান বুন্দেসলিগার শিরোপার দৌড়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বায়ার্ন মিউনিখ। নিজেদের মাঠে দাপুটে পারফরম্যান্সে ইউনিয়ন বার্লিনকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে আবারও জয়ের ধারায় ফিরেছে তারা। ম্যাচের নায়ক সার্জ জিনাব্রি জোড়া গোল করে দলের বড় জয়ে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

শুরুর বাঁশি থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বায়ার্ন। আক্রমণের পর আক্রমণে চাপে রাখে প্রতিপক্ষকে, কিন্তু প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। অবশেষে বিরতির ঠিক আগে বরফ গলান মাইকেল অলিসে। লিয়ন গোরেৎজকার কাছ থেকে পাওয়া বল দারুণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিখুঁত শটে জালে জড়ান তিনি।

গোল পাওয়ার পর যেন আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে বায়ার্ন। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জিনাব্রি। জশুয়া কিমিখের ক্রস গোলরক্ষক ঠিকমতো ধরতে না পারায় সুযোগ পেয়ে জোরালো শটে বল জালে পাঠান তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের করে নেয় বায়ার্ন। বিরতির পরপরই তৃতীয় গোলটি করেন হ্যারি কেইন। কনরাড লাইমারের পাস থেকে বল পেয়ে দারুণ ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ৩-০ করেন ইংলিশ অধিনায়ক। এটি ছিল তার মৌসুমের ৩১তম লিগ গোল- যা পুরো ইউনিয়ন বার্লিন দলের মোট গোলসংখ্যার সমান!

এরপরও থামেনি বায়ার্নের আক্রমণ। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে আবারও আঘাত হানে তারা। অলিসে ও লাইমারের চমৎকার সমন্বয়ে তৈরি আক্রমণ থেকে বল জিনাব্রির কাছে এলে তিনি আর ভুল করেননি- নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করে ম্যাচের ইতি টানেন।

পুরো ম্যাচে ইউনিয়ন বার্লিন কার্যত ছিল ছায়ার মতো। শেষ দিকে এক-দুবার সুযোগ তৈরি করলেও বায়ার্ন গোলরক্ষককে তেমন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি তারা।

এই জয়ের ফলে পয়েন্ট তালিকায় বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের থেকে ৯ পয়েন্ট এগিয়ে থাকল বায়ার্ন মিউনিখ। ফলে টানা ১৪ মৌসুমে ১৩তম শিরোপা জয়ের পথে তারা আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে গেল। ২৭ ম্যাচ শেষে বায়ার্নের পয়েন্ট ৭০ এবং বার্লিনের পয়েন্ট ৩১। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের পয়েন্ট ৬১।

ম্যাচ শেষে কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, দল এখন ঠিক সেই অবস্থানেই আছে, যেখানে তারা থাকতে চায়। সামনে ইউরোপের বড় মঞ্চে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে, তবে এই পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

আইএইচএস/



from jagonews24.com | rss Feed https://ift.tt/8SMcHsU
via IFTTT
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post